Saturday, October 18, 2014

গল্পের মত


রাত বারটা।অনিকেরমোব
াইলে আননোন নাম্বার থেকে কল।
ঘুম কাতুরে চোখে মোবাইলের
ডিসপ্লে সূর্য দেখায়। হঠাৎ সূর্য
দেখে ভয়েরচিহ্ন ভেসে উঠল।
তাছাড়া তার এমন কোন
পাগলা বন্ধুও নেই যে এত রাতে ফোন
করে জালাতন করবে। কে এর উত্তর
খুঁজার আগে ফোনটা ব্যাক করলেই
তো হয়।সে ভয়ে ভয়ে ফোনটা ব্যাক
করল।যদিও তার ভয় পাওয়ার কথা না।
ফোন তো আর
সে এমনি এমনি দিচ্ছে না। ভদ্র
ছেলের মত ব্যাক করতাসে কেবল।
ফোন ব্যাক করে সে কান্নার জল
ধরে রাখতে পারেনি।
ছেলেরা সাধারণত চরম
আবেগী না হলেও
এরা কান্না লুকাতে পারেনা।
প্রিয়জনের সামনে তো নয়ই। সেই
ক্লাস টু থেকে যে মেয়েকে পছন্দ।
ক্লাস টুতেই প্রেম সফল হয়ে যেত
যদি প্রেমের মানে বুঝত তারা।আজ
হঠাৎ যখন ১৬ বছর পর ফোন আসলো তখন
কোন ভাল খবরের আশা করাও পাপ।
পাপড়ির বিয়ে। বিয়ের দাওয়াত
দিতেই ফোন করসে পাপড়ি।
অনিকের নির্বাক কান্নার অর্থ
নিশ্চয় পাপড়ি বুঝতে পারল ১৬-১৭ বছর
পর।এখন বুঝেও কারো কিছু
আসবে যাবেনা। দুজনেই
মাঝে মাঝে শেষ
রাতে জেগে আঁচল কিংবা রুমাল
ভিজাবে।

জাহিদুল ইসলাম সবুজ এর আজাইরা ক্যাচাল


প্রত্যেকটা শুক্রবারে তার
কথা মনে পরে। ৮৮৯ সাল এপ্রিলের
কোন এক
শুক্রবারে তাকে আমি হত্যা করেছিলাম।
তাকে হত্যা করে ভালোই
হইসে.,তানাহলে অকারণেই
সে আমাক্র হত্যা করত। হত্যা করার মত
পাপ কাজ করার মানুষ যদিও
সে ছিলনা। তবুও আমার মনের ভয় ছিল
সে আমাকে খুন করবে।
নিজেকে বাঁচাতে এই খুন।
নিজেকে বাঁচানোর জন্য খুন করার
মধ্যে কাপুরুষতা নেই। তবে তার
আত্মা এখনো আমার
চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। অন্ধকার
রাতে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে।
আমি ভয় পাইনা এই ভেবে সে অনেক
আগে মারা গেছে। তার
আত্মা আমার
সাথে পেরে উঠবে বলে মনে হয়না।
তাই বলে তার চেষ্টাও থেমে নেই।
খুব বিশ্রী লাগে।তার
গা থেকে পঁচা সাপের গন্ধ আসে।
সে বোধহয় আমাকে ডায়রিয়ায়
মারতে চায়।কিন্তু
সে এটা জানেনা ডায়রিয়ায় আর
কেউ মরেনা এখন।এখন মনে হয়
অকারণেই মারলাম ওকে। যেদিন
ওকে খুন করি, অইদিন
রাতে জোৎস্না উপচে পরছিল।
দুজনে একসাথে জোৎস্নায় ভিজলাম
চা খেলাম।আংগুলে আংগুল
রাখলাম আর তার পরই গলায়
ছুরি চালালাম।কেমন বর্বরতা!

মেঘের দিন

 ঘুম ভাঙে জানলার কাচে বৃষ্টির ছাটের শব্দে। বৃষ্টি দেখে ঘুম আরও গাঢ় হলো। ঘুম ভেঙে জালনা খোলে বসে আছি কখন থামবে বা কমবে বৃষ্টি৷ থামার আর নাম ন...