রাত বারটা।অনিকেরমোব
াইলে আননোন নাম্বার থেকে কল।
ঘুম কাতুরে চোখে মোবাইলের
ডিসপ্লে সূর্য দেখায়। হঠাৎ সূর্য
দেখে ভয়েরচিহ্ন ভেসে উঠল।
তাছাড়া তার এমন কোন
পাগলা বন্ধুও নেই যে এত রাতে ফোন
করে জালাতন করবে। কে এর উত্তর
খুঁজার আগে ফোনটা ব্যাক করলেই
তো হয়।সে ভয়ে ভয়ে ফোনটা ব্যাক
করল।যদিও তার ভয় পাওয়ার কথা না।
ফোন তো আর
সে এমনি এমনি দিচ্ছে না। ভদ্র
ছেলের মত ব্যাক করতাসে কেবল।
ফোন ব্যাক করে সে কান্নার জল
ধরে রাখতে পারেনি।
ছেলেরা সাধারণত চরম
আবেগী না হলেও
এরা কান্না লুকাতে পারেনা।
প্রিয়জনের সামনে তো নয়ই। সেই
ক্লাস টু থেকে যে মেয়েকে পছন্দ।
ক্লাস টুতেই প্রেম সফল হয়ে যেত
যদি প্রেমের মানে বুঝত তারা।আজ
হঠাৎ যখন ১৬ বছর পর ফোন আসলো তখন
কোন ভাল খবরের আশা করাও পাপ।
পাপড়ির বিয়ে। বিয়ের দাওয়াত
দিতেই ফোন করসে পাপড়ি।
অনিকের নির্বাক কান্নার অর্থ
নিশ্চয় পাপড়ি বুঝতে পারল ১৬-১৭ বছর
পর।এখন বুঝেও কারো কিছু
আসবে যাবেনা। দুজনেই
মাঝে মাঝে শেষ
রাতে জেগে আঁচল কিংবা রুমাল
ভিজাবে।
No comments:
Post a Comment