প্রত্যেকটা শুক্রবারে তার
কথা মনে পরে। ৮৮৯ সাল এপ্রিলের
কোন এক
শুক্রবারে তাকে আমি হত্যা করেছিলাম।
তাকে হত্যা করে ভালোই
হইসে.,তানাহলে অকারণেই
সে আমাক্র হত্যা করত। হত্যা করার মত
পাপ কাজ করার মানুষ যদিও
সে ছিলনা। তবুও আমার মনের ভয় ছিল
সে আমাকে খুন করবে।
নিজেকে বাঁচাতে এই খুন।
নিজেকে বাঁচানোর জন্য খুন করার
মধ্যে কাপুরুষতা নেই। তবে তার
আত্মা এখনো আমার
চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। অন্ধকার
রাতে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে।
আমি ভয় পাইনা এই ভেবে সে অনেক
আগে মারা গেছে। তার
আত্মা আমার
সাথে পেরে উঠবে বলে মনে হয়না।
তাই বলে তার চেষ্টাও থেমে নেই।
খুব বিশ্রী লাগে।তার
গা থেকে পঁচা সাপের গন্ধ আসে।
সে বোধহয় আমাকে ডায়রিয়ায়
মারতে চায়।কিন্তু
সে এটা জানেনা ডায়রিয়ায় আর
কেউ মরেনা এখন।এখন মনে হয়
অকারণেই মারলাম ওকে। যেদিন
ওকে খুন করি, অইদিন
রাতে জোৎস্না উপচে পরছিল।
দুজনে একসাথে জোৎস্নায় ভিজলাম
চা খেলাম।আংগুলে আংগুল
রাখলাম আর তার পরই গলায়
ছুরি চালালাম।কেমন বর্বরতা!
পাঠাকাটা।ছিমছাম সবুজে ঢাকা একটা বড় গ্রাম।বাঁশবাগান,কচুরিপানা, শাপলা,শালুক, কলমিল লতা,অবাক ঘুড়ি,কাঁশফুল,বুড়োডুবি গাঙ,ব্রহ্মপুত্র, মুক্তবায়ুর মাঠের আদরে বেড়ে উঠা।পাঠাকাটা স.প্রা.বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা পাসের পর পাঠাকাটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে নিই জেএসসি এবং এস.এস.সির সার্টিফিকেট। তারপর চলে আসে গ্রাম ছেড়ে নারায়ণগঞ্জের শহরতলী সানারপাড়ে।এখানেই এখন পড়ছি এইচ.এস.স্যার সার্টিফিকেটের জন্য।আমি তিন বছর পড়েছি পাঠাকাটা মর্ডাণ কিন্ডারগার্টেন এও।লেখালেখি শখ।লেখা ছাপাও হয়েছে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায়।বইমেলার কয়েকটা সংকলনেও লিখেছি গল্প আর কবিতা।একটা প্রেম ও করি।প্রেমিকার নাম জান্নাতুল নাউম আঁখি।সেও আমার সাথেই পড়ে।আমার মা স্বর্গের অপ্সরা।আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠবাবাদের একজন।আমার প্রেমিকা মহীয়সী নারী।আমার জীবন পরিপূর্ণ।বড় স্বপ্নের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসেছি।জীবন যেভাবে নিয়ে যাবে সেভাবেই যাবো।আমি আদর্শ বালক হতে চাইনা।
ReplyDeleteWow
Delete